সুভাষচন্দ্র বসু, বেলাকোবা: বয়স মাত্র ১৪ ক্লাস নাইনে পড়ে কিন্তু হাতের জাদুতে দুই ফুট সাত ইঞ্চির দুর্গা প্রতিমা গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বেলাকোবার অরিত দত্তগুপ্ত। বেলাকোবা হাইস্কুলের ছাত্র অরিত্রের বাড়ি শিকারপুর অঞ্চলের আদর্শপাড়ায়। বাবা পিন্টু দত্তগুপ্ত পেশায় ফ্যাক্টরি শ্রমিক মা ওলি দত্তগুপ্ত গৃহবধূ। পরিবারের কেউ মৃৎশিল্পী নন ছোটবেলায় কুমোরপাড়া থেকে মাটি এনে ছোট ছোট পুতুল বানাত অরিত সেখান থেকেই শুরু। অরিত্র জানায় এবারের দুর্গা প্রতিমা বানাতে তার সময় লেগেছে ১৫ দিন শুধু শনি ও রবিবার পড়াশোনার ফাঁকে কাজ করেছে। প্রতিমার উচ্চতা ২ ফুট ৭ ইঞ্চি ব্যবহার করেছে ১৭ রকমের রং ডিসটেম্পার সাদা, কালো, লাল, হলুদ, নীল, সবুজ, বাদামী সহ নানা রং। নিজেই নাম দিয়েছে চাঁদের দুর্গা।
অরিত্রের কথায় এই প্রতিমা বানানোর পেছনে আমার মা বাবা ও জেঠু জেঠিমার অবদান অনেক। ২০২২ সালে মাত্র ৫ ইঞ্চির প্রতিমা দিয়ে শুরু এরপর একের পর এক প্রতিমা। ২০২৫ সালে ২ ফুট ২ ইঞ্চির কালী প্রতিমা বানিয়েছিল এবার ২০২৬ সালে তার সবচেয়ে বড় কাজ এই দুর্গা প্রতিমা। এর আগে কাঠের পাটাতনের ওপর মাটি দিয়ে ২ ফুট ৩ ইঞ্চির কালী, দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক, শিব, ডাকিনী যোগিনী, শিয়াল, সাপ, ছিন্নমস্তা, এমনকি সিমেন্ট দিয়ে বজরঙ্গবলীর মূর্তিও গড়েছে সে।বাবা পিন্টু দত্তগুপ্ত বলেন আমাদের বংশে কেউ মৃৎশিল্পী নয় ও নিজের মন থেকেই সব তৈরি করে।
মা ওলি দত্তগুপ্ত বলেন ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকতে ও ঠাকুর গড়তে ভালোবাসে। ছোট ছোট মাটির পুতুল বানিয়ে আবার ভেঙে ফেলত আমরা সবসময় ওকে সাহায্য করি।
স্কুলের শিক্ষক কৌশিক ঘোষ বলেন অরিত খুব মনোযোগী পড়াশোনায় ভালো এবং নিয়ম মেনে চলে।বড় হয়ে স্কুল শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন অরিতের, পাশাপাশি মৃৎশিল্পের কাজও চালিয়ে যেতে চায় সে।
Subscribe to Updates
Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.
পড়াশোনার ফাঁকে মাটির দুর্গা গড়ে তাক লাগাল নবম শ্রেণির অরিত
Previous Articleগাড়ির গোপন চেম্বার থেকে উদ্ধার লক্ষাধিক টাকার সোনা

