সাতসকালে এক হাতির মৃতদেহ উদ্ধার। হাতির মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য এলাকায়। জলপাইগুড়ি বৈকুন্ঠপুর জঙ্গল সংলগ্ন নোধাবাড়ি এলাকার একটি চা বাগানে ঘটনা ঘটেছে। বনদপ্তরের আধিকারিক প্রাথমিক অনুমান বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে হাতিটির মৃত্যু হয়েছে। বাগানের মালিকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে বনদপ্তর।

নদাবাড়ি গ্রামের একটি ছোট চা বাগানের মধ্যে কাটা তার প্যাচানো অবস্থায় একটি হাতিকে মাটিতে পরে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷খবর দেওয়া হয় বৈকুন্ঠপুর বন বিভাগের বনকর্মী ও পুলিশকে। বনদপ্তরের আধিকারিকরা ঘটনার স্থলে এসে দেখতে পান চা বাগানের চারপাশে কাটাতারের বেড়া রয়েছে। সেই কাটা তার হাতির গায়ে প্যাচানো রয়েছে। এর থেকেই অনুমান এই কাটা তারের মধ্যে বিদ্যুৎ দেওয়া ছিল। হাতিটি যখন জঙ্গল থেকে লোকালয় ঢুকতে যাচ্ছিল সেই সময় এই কাটাতার হাতিটির গায়ে লাগলে হাতিটি ঘটনার স্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পরে ও তার মৃত্যু হয় বলে অনুমান বনকর্তাদের৷ যদিও মৃত হাতিটির মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করার পরেই সঠিক কারন জানা যাবে বলে জানিয়েছে বনদপ্তর।
গ্রামে হাতি মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পরতেই বহু মানুষ মৃত হাতিকে দেখতে এলাকায় ভীড় জমায়৷ হাতিটির দেহ উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে বনকর্মীরা৷ পাশাপাশি যে চা বাগান এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে সেই চা বাগানের মালিকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ ও বনদপ্তর৷
গৌতম সিংহের রিপোর্ট পাহাড়িয়া টাইমস

