শিলিগুড়ি : আচমকা শুক্রবার রাতে পথে নামলেন শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর।বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে শহরের অলিগলি টহল দিলেন পুলিশ কমিশনার।সাথে ছিলেন শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা এবং প্রতিটি থানার আইসি ওসি।
শিলিগুড়ি শহরে অনেকটাই বেড়েছে অপরাধের ঘটনা। কেউ শহরকে বলছেন অপরাধ নগরী, আবার কেউ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। স্থানীয় এবং বহিরাগত দুষ্কৃতী গ্যাং এর দাপটে অপরাধ বেড়েছে বলে দাবি পুলিশের।কখনো চুরি, কখনো ছিনতাই, কখনো ডাকাতির ঘটনা ঘটছে শহর শিলিগুড়িতে।
এই পরিস্থিতিতে শহরের মানুষের মনোবল ফেরাতে এবার পথে নামলেন শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার।
শুক্রবার রাতে ৩ ডেপুটি পুলিশ কমিশনারকে নিয়ে শহরের অলিগলি শপিংমল মার্কেট এলাকায় টহল দিতে দেখা গেল। রাত এগারোটা নাগাদ পুলিশের সমস্ত কর্তা দের সাথে নিয়ে ভক্তিনগর থানার চেকপোস্ট এলাকায় যান পুলিশ কমিশনার।
একটি শপিংমল ও পার্শ্ববর্তী এলাকা টহল দিয়ে সেবক রোড হয়ে পুলিশের টিম বিশাল কনভয় পৌছায় সূর্যসেন মাঠে।এরপর বাগড়াকোট হয়ে হিলকার্ট রোড।
শহরের মানুষ কতটা নিরাপদে রয়েছেন, মহিলারা পথে-ঘাটে নিরাপত্তায় রয়েছেন কিনা! তা খতিয়ে দেখেন পুলিশ কমিশনার এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা।ডিসিপি ওয়েস্ট বিশ্বচাঁদ ঠাকুর জানান রাতে শহরে কোন দুষ্কৃতি কিংবা মাদকাসক্তদের দৌরাত্ম্য চলতে দেওয়া হবে না।
শুক্রবার রাতে সূর্যসেন মাঠ এলাকায় হেঁটে টহল দেন ডিসিপি ইস্ট, ডিসিপি ওয়েস্ট, ডিসিপি হেডকোয়ার্টার। হেলমেট ছাড়া বাইক স্কুটার চালকদের দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি হেলমেট পড়ার জন্য সতর্ক করা হয়। পুলিশকে এভাবেই প্রতিদিন পথে দেখা যাবে বলেই জানিয়েছেন পদস্থ পুলিশকর্তারা।
শহরের অপরাধ দমন করতে এবং মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা-বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এই টহল বলেই মনে করছে শহরবাসী।

