জলপাইগুড়ি : বৈকুন্ঠপুর জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় একের পর এক হাতির হানার ঘটনায় উদ্বিগ্ন বনদপ্তর। কী করে জঙ্গলের মধ্যেই হাতিকে আটকে রেখে গ্রামবাসীদের রেহাই দেওয়া যায় তা নিয়ে সোমবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করলেন রাজ্যের প্রধান মুখ্য বন সংরক্ষক ভি কে যাদব।
এদিন সকালে গজলডোবার হাওয়া মহলে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকটি হয়। বৈঠকে প্রধান মুখ্য বন সংরক্ষক ভি কে যাদব ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বৈকুন্ঠপুরের ডিএফও এম. রাজা, রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়, স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও টাকিমারি, মিলনপল্লি-সহ আশপাশের এলাকার গ্রামবাসীরা।
বেশকিছুদিন ধরে প্রতি রাতেই এলাকাগুলিতে হাতির হানা বেড়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে হাতির আক্রমনে ৩ জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এতে রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে গোটা গ্রাম।
এই পরিস্থিতে কি করে জঙ্গলের মধ্যে হাতিদের আটকে গ্রামগুলিকে স্বস্তি দেওয়া যায় তা নিয়ে এদিন মূলত আলোচনা হয়। প্রধান মুখ্য বন সংরক্ষক ভি কে যাদব বলেন, বেশকিছু জিনিষ এদিন আলোচনা হয়েছে। গ্রামবাসীদের সুরক্ষিত রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে এধনের বৈঠক হওয়ার বিশেষ প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছেন রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। তিনি বলেন, “মুখ্য বনবাধিকারীর সঙ্গে অত্যন্ত গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। গ্রামের মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে দ্রুত সোলার লাইট ও ফেন্সিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে যাতে হাতি গ্রামে প্রবেশ না করতে পারে।”
তবে বন্যপালের আশ্বাস কবে ফলপ্রসু হয় সেদিকে তাকিয়ে গ্রামবাসীরা।

