শিলিগুড়ি : নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে যুবতী উদ্ধারের ঘটনায় সংস্থার প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটরকে আটক করল রেল পুলিশ। পাশাপাশি বুধবার ঘটনায় ধৃত কলকাতার বাসিন্দা, জিতেন্দ্র পাশওয়ানকে নিয়ে ইস্টার্ন বাইপাস এলাকার অফিসে পৌঁছায় রেল পুলিশের তদন্তকারী দল। খতিয়ে দেখা হয় বেশ কিছু নথি । উদ্ধার করা হয়েছে কম্পিউটারের সিপিইউ সেইসঙ্গে যুবতীদের কোথায় রেখে এবং কি ট্রেনিং দেওয়া হতো সেই সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখেন তদন্তকারী অফিসার।
এদিকে মঙ্গলবারই শিলিগুড়িতে এসে পৌঁছায় সংস্থার ছত্রিশগড়ের কো-অডিনেটর বীজেন্দ্র প্রতাপ সিং। এদিন তাকেও টানা জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ তার কথায় অসঙ্গতি মেলায় আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও বীজেন্দ্র প্রতাপের দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রজেক্ট। এখানে কোন জালিয়াতির ব্যাপার নেই। সমস্ত তথ্য রয়েছে পুলিশকে দেখানো হবে। এখনো পর্যন্ত ১০০ জন যুবতীকে ভিন রাজ্যে চাকরি দেওয়া হয়েছে।
যদিও এই সংস্থায় যুবতীদের হোটেল ম্যানেজমেন্ট এর ট্রেনিং দেওয়া হলেও ওই যুবতীদের ই বাইক কোম্পানিতে চাকরি হওয়ায় রীতিমতো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ধৃত জিতেন্দ্র পাসোয়ানের দাবি সবটা সঠিক পথেই চলছিল। তবে কিছু ভুল তথ্যের কারণে আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে তিন বছর ধরে শিলিগুড়িতে সংস্থাটি কাজ করছিল। মূলত এই সংস্থাটি ছত্রিশগড়ের সেখান থেকেই সংস্থার শিলিগুড়ি ব্রাঞ্চ পরিচালনা করা হতো। ধৃত জিতেন্দ্র পাশওয়ানই ছিল সংস্থার উত্তরের প্রধান। তারই তথ্যাবধানে ৫৬ জন যুবতীকে নিয়ে ক্যাপিটাল এক্সপ্রেস ধরে পাটনা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। যদিও তার আগেই সন্দেহের হওয়ায় ওই যুবতীদের শিলিগুড়ি নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনেই ট্রেন থেকে নামিয়ে নেয় রেল পুলিশ। কি কারনে যুবতীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তার তথ্য-প্রমাণ দিতে না পারায় ও সংস্থার আরেক কর্মী চন্দ্রিমা করকে গ্রেপ্তার করে রেল পুলিশ। ধৃতরা বর্তমানে পুলিশী হেফাজতে রয়েছে। পুলিশ চাইছে ধৃত দুজনের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে আটক হওয়া কো-অর্ডিনেটর বীজেন্দ্র প্রতাপ সিং কে জেরা করতে। এতে বেশ কিছু তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলেই অনুমান তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের।

