শিলিগুড়ি : রাজ্যের নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স। চোখ নাক খোলা রেখে করতে হবে কাজ। নিরাপত্তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া ধমকের পর নড়েচরে বসলো শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট। সীমান্তবর্তী এলাকায় বাড়ানো হল বাড়তি নজরদারী।
উত্তর- পূর্ব ভারতের ঘোষিত গেটওয়ে মনে করা হয় শিলিগুড়িকে। শহরের ঘিরে রয়েছে বাংলাদেশ নেপাল সহ তিনটি আর্ন্তজাতিক ও ২ টি আন্ত:রাজ্য সীমান্ত। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে উত্তরের ছয় জেলা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক সাড়েন রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। রাজ্যের পুলিশের ডিরেক্টর অফ জেলারেল রাজীব কুমারকেও ধমক দেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন যাতে বাইরে থেকে কেউ শহরে ঢুকতে না পারে।
এরপরই নড়েচড়ে রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বাড়তি নজরদারী শুরু হয়েছে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত ভারত বাংলা সীমান্ত ফুলবাড়িতেও নজরদারী বাড়িয়েছে পুলিশ। মূলত ওই এলাকা সারা বছরই নজরবন্দি রাখে সেনাবাহিনী। সেখানে এবাড়তি নিরাপত্তাতে জোড় দিয়েছে পুলিশ। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সীমান্ত এলাকাজুড়ে পুলিশও টহলদারি চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে গ্রামবাসীরা।
যদিও, মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেত শুভেন্দু অধিকারি।

