শিলিগুড়ি : ন’বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ফের শুরু হলো শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর হবে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পূরণ হবে মোট ৩৫ হাজার ৭২৬টি শূন্যপদ।
শিলিগুড়িতে পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত হয়েছিল ১৬টি কেন্দ্র। সকাল থেকেই পরীক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ, বিহার, প্রয়াগরাজ-সহ ভিনরাজ্য থেকেও বহু পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এই পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে চালু হয়েছে কয়েকটি নতুন নিয়ম। পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে OMR শিটের কার্বন কপি। মূল শিট সংরক্ষিত থাকবে প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ২ বছর পর্যন্ত। স্ক্যান কপি রাখা হবে ১০ বছর পর্যন্ত। দুটি ধাপ মিলিয়ে এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন প্রায় ৫ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়ে যায়। এরপর আদালতের নির্দেশেই নতুন করে এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। নির্দেশ অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত প্রার্থীরা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ নিতে পারেনি।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁদের অ্যাডমিট কার্ড অসম্পূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর এসেছে। তবে এসএসসি দ্রুত সমস্যার সমাধান করে। রবিবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে দেড়টা পর্যন্ত চলে পরীক্ষা। কঠোর নিরাপত্তা প্রতিটি কেন্দ্রে মোতায়েন ছিল পর্যাপ্ত পুলিশ। প্রবেশ পথে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। পরিচয়পত্র ও অ্যাডমিট কার্ড যাচাইয়ের পরেই পরীক্ষার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতরে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা।

