শিলিগুড়ি : পথ কুকুরকে রাস্তা থেকে সরানো যাবে না, সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়ে খুশি পশুপ্রেমীরা। তবে নির্দেশ অনুযায়ী কুকুরদের খাওয়ানোর জন্য আলাদা জায়গা চিহ্নিত করতে হবে স্থানীয় প্রশাসনকে। আর সেখানেই বিপাকে পড়েছে রাজ্যের একাধিক পুরনিগম। কারণ, শহরভিত্তিক পথ কুকুরের সঠিক পরিসংখ্যান নেই কারও কাছেই। শিলিগুড়ি পুরনিগমও তার ব্যতিক্রম নয়।
চলতি মাসের মাসিক অধিবেশনে বিষয়টি তোলেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম কাউন্সিলর মৌসুমি হাজরা। অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “আমার ওয়ার্ড সহ শহরের নানা এলাকায় প্রচুর পথ কুকুর ঘোরাফেরা করছে। অনেক সময় তারা দল বেঁধে রাস্তা দখল করে বসে থাকে। সাধারণ মানুষ আতঙ্কে পড়েন, এমনকি কামড়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে।”
এ বিষয়ে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, “শহরের ইতিহাসে কখনও কুকুরের সংখ্যা নিয়ে সমীক্ষা হয়নি। ফলে পরিসংখ্যান আমাদের হাতে নেই। বামফ্রন্ট বোর্ড এতদিন ক্ষমতায় থেকেও এই কাজ করেনি। তবে আমরা ইতিমধ্যেই পশু হাসপাতাল তৈরি করেছি। সেখানে স্থায়ী চিকিৎসক নিয়োগের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।”
বিশেষজ্ঞ মহল ও পশুপ্রেমী সংগঠনগুলির মত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কার্যকর করতে হলে সবার আগে শিলিগুড়িতে কত পথ কুকুর রয়েছে তা জানতে সমীক্ষা শুরু করা জরুরি। না হলে সঠিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয় I

